কুচক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, কুচক্র

কুচক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, কুচক্র। 
.
এটা খুবই মারাত্নক! প্রচন্ড বিস্ময়কর।
.
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়া'লা এই পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের (ভালো/মন্দ) সিফাত তৈরী করেছেন। ভালো সিফাতকে দিয়েছেন  তার নিজস্ব বৈশিস্ট্য আর মন্দ সিফাতকে দিয়েছেন তার নিজস্বতা। এবং প্রত্যেককে দিয়েছেন একটা এমন সিস্টেম,স্টাকচার ও রুলস। যেখানটাতে তারা স্ব স্ব স্বকীয়তায় পরিচালিত হয়। 
.
পৃথিবীতে একটি মন্দ সাবজেক্ট হচ্ছে চক্রান্ত, কুচক্রান্ত, ষড়যন্ত্র। 
.
এই  সিস্টেমের সৃস্টিকর্তার বই কুরআনকে প্রশ্ন করা হয়, কুচক্রান্ত কি? এটা কিভাবে কাজ করে? কুচক্রান্তর আচারকে কিভাবে ডিজাইন করা হয়েছে? কুচক্রান্তের স্টাকচার,মানশিকতা,ধর্ম কি? 
.
কুরআন বলছে,

ٱسْتِكْبَارًا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَكْرَ ٱلسَّيِّئِۚ وَلَا يَحِيقُ ٱلْمَكْرُ ٱلسَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِۦۚ فَهَلْ يَنظُرُونَ إِلَّا سُنَّتَ ٱلْأَوَّلِينَۚ فَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ ٱللَّهِ تَبْدِيلًاۖ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّتِ ٱللَّهِ تَحْوِيلًا 

Because of their arrogance in the land, and their evil plots.  But evil plots surround its founders (evil plots only affect the plotters / evil plots always turn back on its founders). So... are they waiting for the same law that was applied to those before them? But you will never find any change in Allah's law and you will not see any exception to Allah's law. - [35:43]
.
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলছেন, ‘কুচক্রান্ত তাকেই ঘিরে ধরবে যে তা করবে।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৪৩)
 .
Bangla - Fozlur Rahman
.
দুনিয়ায় অহংকার ও কুচক্রের কারণে। আর কুচক্র তার হোতাদেরকেই পরিবেষ্টন করে। তবে কি তারা পূর্ববর্তীদের (ক্ষেত্রে প্রয়োগকৃত শাস্তির) বিধানেরই প্রতীক্ষা করছে? তাহলে তুমি আল্লাহর বিধানে কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর বিধানে কোন ব্যতিক্রমও পাবে না। 
.
Bangla - Tafsir Abu Bakr Zakaria
.
যমীনে ঔদ্ধ্যত প্রকাশ এবং কুট ষড়যন্ত্রের কারণে [১]। আর কুট ষড়যন্ত্র তার উদ্যোক্তাদেরকেই পরিবেষ্টন করবে। তবে কি এরা প্রতিক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রযুক্ত পদ্ধতির [২]? কিন্তু আপনি আল্লাহর পদ্ধতিতে কখনো কোনো পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর পদ্ধতির কোনো ব্যতিক্রমও লক্ষ্য করবেন না।
 .
“অথবা যাতে এ কথা বলতে না পার, ‘যদি আমাদের প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হত তবে আমরা তো তাদের অপেক্ষা অধিক হিদায়াতপ্রাপ্ত হতাম।’ এখন তো তোমাদের নিকট তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে স্পষ্ট প্রমাণ, হিদায়াত ও রহমত এসেছে। অতঃপর যে কেউ আল্লাহর নিদর্শনকে প্রত্যাখ্যান করবে এবং তা হতে মুখ ফিরিয়ে নিবে তার চেয়ে বড় জালিম আর কে?” (সূরা আনআম ৬:১৫৫-১৫৭) 
 .
কিন্তু আফসোসের বিষয়, যখনই তাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে  পাঠানো হল তখনই তারা তার অনুসরণ করা থেকে বিমুখ হয়ে গেছে। এসবের কারণ ছিল আগত নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মনোপুত হয়নি, তাদের দাবী মত হয়নি। তার অনুসরণ করলে তাদের মর্যাদা, ক্ষমতা ক্ষুণ্ন হবে। তাই তারা পৃথিবীতে নিজেদের ক্ষমতা ও বড়ত্ব প্রতিষ্ঠিত রাখতে চাইতো এবং অন্যদেরকে অধিনস্থ রাখার জন্য কূট ষড়যন্ত্র করত। তাদের এ সকল ষড়যন্ত্র তাদেরকেই পরিবেষ্টন করেছে। তাদের ষড়যন্ত্র নিজেদের ছাড়া অন্য কারো কোন ক্ষতি করেনি। 
 .
এরপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন যে, তাঁর বিধান সকলের ক্ষেত্রে একই। তাঁর বিধানের কোন পরিবর্তন নেই এবং কোন ব্যতিক্রমও নেই। পূর্ববর্তীদের অবাধ্যতার কারণে যে অবস্থা হয়েছিল তাদের অবস্থাও অনুরূপ হবে।  
.
রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেনঃ “তোমরা কূট ষড়যন্ত্র হতে বেঁচে থাকবে। কূট ষড়যন্ত্রের বোঝা ষড়যন্ত্রকারীকেই বহন করতে হবে এবং তাকে আল্লাহ তা'আলার নিকট জবাবদিহি করতে হবে।” (এ হাদীসটি ইবনে আবি হাতিম (রঃ) বর্ণনা করেছেন)
.
মুহাম্মাদ ইবনে কা'ব কারাযী (রঃ) বলেছেনঃ “তিনটি কাজ যে করে সে মুক্তি ও পরিত্রাণ পায় না। তার কাজের প্রতিফল নিশ্চিতরূপে তারই উপর পড়ে। কাজ তিনটি হলোঃ কট ষড়যন্ত্র করা, বিদ্রোহ করা ও ওয়াদা ভঙ্গ করা।” অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করেন।
.
মহান আল্লাহ বলেনঃ তারা কি প্রতীক্ষা করছে তাদের পূর্ববর্তীদের প্রতি প্রযুক্ত বিধানের? অর্থাৎ তাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাদের মতই অন্যায় ও অসৎ কাজে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। ফলে তারা আল্লাহ তা'আলার যে গযবে পতিত হয়েছিল এলোকগুলো তারই অপেক্ষায় রয়েছে। আল্লাহর বিধানের কোন পরিবর্তন নেই।
.
‘‘কাজেই মানুষকে সতর্ক কর সেদিনের ব্যাপারে যেদিন তাদের উপর আযাব আসবে। যারা জুলুম করেছিল তারা তখন বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে অল্পদিনের জন্য সময় দাও, আমরা তোমার আহবানে সাড়া দিব আর রাসূলদের কথা মেনে চলব।’ (তখন তাদেরকে বলা হবে) তোমরা কি পূর্বে শপথ করে বলনি যে, তোমাদের কক্ষনো পতন ঘটবে না? অথচ তোমরা সেই লোকগুলোর বাসভূমিতে বসবাস করছিলে যারা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল আর তোমাদেরকে স্পষ্ট করে দেখিয়ে দেয়া হয়েছিল আমি তাদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেছিলাম। আর আমি বহু উদাহরণ টেনে তোমাদেরকে বুঝিয়েও দিয়েছিলাম। তারা যে চক্রান্ত করেছিল তা ছিল সত্যিই ভয়ানক, কিন্তু তাদের চক্রান্ত আল্লাহ্‌র দৃষ্টির ভিতরেই ছিল, যদিও তাদের চক্রান্তগুলো এমন ছিল যে, তাতে পর্বতও টলে যেত। (অবস্থা যতই প্রতিকূল হোক না কেন) তুমি কক্ষনো মনে কর না যে, আল্লাহ তাঁর রাসূলগণকে দেয়া ওয়া‘দা খেলাপ করবেন, আল্লাহ মহা প্রতাপশালী, প্রবল প্রতিশোধ গ্রহণকারী।’’ (ইবরাহীমঃ ৪২-৪৭)
.
তারা কি আল্লাহর চক্রান্তের ভয় রাখে না? বস্তুতঃ ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায় ব্যতীত কেউই আল্লাহর চক্রান্ত হতে নিরাপদ বোধ করে না। (সূরা আ’রাফ ৯৯ আয়াত)
.
"আর যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ কর, তবে ঐ পরিমাণ প্রতিশোধ গ্রহণ করবে যতটুক অন্যায় তোমার প্রতি করা হয়েছে। আর যদি ধর্য্য ধারন করো তাহলে ধৈর্য্য ধারণ কারীদের জন্য তা অবশ্যই উত্তম। তুমি ধৈর্য ধারণ কর, তোমার ধৈর্য তো কেবল আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো জন্য নয় নয়, তাদের চক্রান্তের কারণে মনঃক্ষুন্ন হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তাদের সঙ্গে আছেন যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যারা মুহসিন।  
আন-নাহল (১২৬-১২৮)
.
এ জন্যই নাবী (সা) বলেছেনঃ 
.
কারো বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা, কাউকে কষ্টে ফেলে দেওয়া কল্যাণ বয়ে আনে না; বরং এগুলো মানুষকে তিলে তিলে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মহান আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত করে দেয়। যে অন্যের ক্ষতি করে, মহান আল্লাহ তার ক্ষতি করেন। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আবু সিরমাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, কেউ অন্যের ক্ষতি করলে আল্লাহ তার ক্ষতিসাধন করবেন। কেউ অযৌক্তিকভাবে কারো বিরোধিতা করলে আল্লাহ তার বিরোধী হবেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬৩৫)
.
পৃথিবীতে শয়তানের কিছু অনুসারী আছে, যারা সারাক্ষণ অন্যের ক্ষতি করে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে। অন্যকে ফাঁসিয়ে দিতে জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। অথচ প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের ক্ষতিসাধন করে অথবা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সে অভিশপ্ত। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৪১) যারা অন্যদের বিপদে ফেলতে সর্বদা নতুন ফন্দি আঁটে, তাদের পেছনে কুচিন্তা নিয়ে গোয়েন্দাগিরি করে, তারা মূলত শয়তানের দোসর।
.
বলা যায় শয়তানের প্রতিবিম্ব। এরা সারাক্ষণ অন্যের ক্ষতি করে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে। অন্যকে ফাঁসানোর জন্য তারা যে পরিমাণ মেধা খরচ করে, তা যদি নিজের স্কিল ডেভেলপ্টের মাধ্যমে ইবাদতে করার পেছনে ব্যয় করত, তাহলে তাদের দুনিয়া ও আখিরাত আরো সুন্দর হতো। কিন্তু তা না করে তারা এমন কাজে লিপ্ত করে, যা তাদের নবীজি (সা.)-এর দেওয়া অভিশাপের পাত্র বানিয়ে দেয়।
.
প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের ক্ষতিসাধন করে অথবা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সে অভিশপ্ত। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৪১)

ষড়যন্ত্র করার ভয়াবহতা নিয়ে ইসলাম যা বলে 
.
‘অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে সে গর্তে নিজেকেই পড়তে হয়’ এই প্রবাদবাক্যটি আমাদের খুব পরিচিত। কিন্তু আমাদের বাস্তব জীবনে অনেকেই এই কথাটি মূল্যায়ন করা হয় না।
.
কিন্তু এই প্রবাদটি কোরআন-হাদিসের সঙ্গে মিলে যায়।
পবিত্র কোরআন-হাদিসের ভাষ্যমতে, যারা অন্যের অকল্যাণ চায়, অন্যকে ফাঁসিয়ে নিজেকে বড় করতে চায়, মহান আল্লাহ তাদের ওপর নারাজ হন। ফলে তারা বাহ্যিকভাবে কোথাও কিছু সময়ের জন্য সফল হলেও সেই সফলতা তাদের চূড়ান্ত ব্যর্থতা ডেকে আনে।
.
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘কুচক্রান্ত তাকেই ঘিরে ধরবে যে তা করবে।  (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৪৩)
.
অর্থাৎ মানুষ কূট ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে; কিন্তু তারা জানে না যে মন্দ কর্মের ফল মন্দই হয় এবং তার শাস্তি শেষ পর্যন্ত কূট ষড়যন্ত্রকারীর ওপরই বর্তায়। যা তারা অনেক সময় দুনিয়া থেকেই ভোগ করতে শুরু করে।
.
তারা অভিশপ্ত। আমাদের নবীজি (সা.) তাদের অভিশাপ দিয়েছেন। প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের ক্ষতিসাধন করে অথবা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সে অভিশপ্ত। (তিরমিজি, হাদিস : ১৯৪১)
.
যারা অন্যের বিরুদ্ধে কূটচক্রান্ত করে, অন্যকে কোণঠাসা করে দিতে চায়, কিংবা আর্থিকভাবে, মানসিকভাবে বা শারীরিকভাবে অক্ষম করে দিতে চায়, তাদের চক্রান্ত এই পাপের শাস্তিস্বরূপ মহান আল্লাহ  তাদের ক্ষতি অবশ্যই করবেন, যা ঠেকানোর ক্ষমতা পৃথিবীর কারো নেই।
.
[৩৫ঃ৪৪] 

তারা কি পৃথিবীতে ভ্রমণ করেনি? তাহলে তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম কি হয়েছিল তা দেখতে পেত। তারাতো এদের অপেক্ষা অধিকতর শক্তিশালী ছিল। আল্লাহ এমন নন যে, আকাশমন্ডলী এবং পৃথিবীর কোন কিছুই তাঁকে অক্ষম করতে পারে; তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।
.
— Sheikh Mujibur Rahman

আর তারা কি যমীনে ভ্রমণ করে না? তাহলে তারা দেখত, কেমন ছিল তাদের পূর্ববর্তীদের পরিণাম। অথচ তারা তো শক্তিতে ছিল এদের চেয়েও প্রবল। আল্লাহ তো এমন নন যে, আসমানসমূহ ও যমীনের কোন কিছু তাকে অক্ষম করে দেবে। নিশ্চয় তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

[৩৫ঃ৪৫]
.
আল্লাহ মানুষকে তার কৃতকর্মের জন্য পাকড়াও করতে চাইলে ভূপৃষ্ঠের একটি প্রাণীকেও রেহাই দিতেন না। কিন্তু তিনি তাদের জন্য একটা নির্ধারিত কাল পর্যন্ত সময় বিলম্বিত করেন। অতঃপর তাদের সে নির্ধারিত সময় যখন এসে যায়, (তখন আল্লাহর ফয়সালা কার্যকরী হতে এক মুহূর্তও বিলম্ব ঘটে না), কারণ আল্লাহ (প্রতিটি মুহূর্তে) তাঁর বান্দাহদের পর্যবেক্ষণকারী।
.
আর যদি আল্লাহ মানুষদেরকে তারা যা অর্জন করেছে তার জন্য পাকড়াও করতেন, তাহলে যমীনের উপর একটি প্রাণীকেও তিনি ছেড়ে দিতেন না। কিন্তু তিনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাদেরকে বিলম্বিত করে থাকেন। অতঃপর যখন তাদের সেই নির্দিষ্ট সময় এসে যায় (তখন তিনি তাদের পাকড়াও করেন), কেননা আল্লাহ তো তাঁর বান্দাদের ব্যাপারে সম্যক দ্রষ্টা।
.
— Rawai Al-bayan

.
অর্থাৎ, এই কুচক্রান্ত এতো মারাত্নক পাওয়ারফুল যা চিন্তারও বাইরে। কুচক্রান্তের আচরন ও বৈশিস্টই হচ্ছে এর মুল হোতাকে গ্রাস করা। এটাতে অটো স্টাকচার গঠন করে দেয়া হয়েছে। সে তার হোতাকে গ্রাস করতে উৎগ্রীব যেই এটাকে উৎপন্ন করবে। সে যে হোক, যত বড় ও  পাওয়ারফুল হোক। আরো ইন্টারেটিং ব্যাপার হচ্ছে, অন্য কিছুতে এনার্জি খরচ করতে হয়। হোক সেটা কম আর বেশী। কিন্তু কুচক্রান্ত নিজেই একটা মারাত্নক শক্তি। এবং এটা ব্লাস্টই করে তার হোতার উপর। হোক সেটা ঘোষেটি বেগম বা ফেরাউন, যুগ,যুগ, ঐতিহাসিক, উপাত্ত দ্বারা প্রমানিত ও প্রতিষ্ঠিত। কুচক্রান্ত কতটা বা কতখানি সময় নিবে তা নির্ভর করে। কুচক্রান্তের ধরন আর আর হোতার উপর। এবং আরো মারাত্মক ব্যাপার হচ্ছে, আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআ'লা কনফার্ম করছেন যে, এটাই আল্লাহর রীতি। তুমি আল্লাহর রীতিতে কোনো পরিবর্তন পাবে না। আল্লাহ তার বান্দার ব্যাপারে সতর্ক করছেন, আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন বন্ধুর সাথে শত্রুতা করবে, তার বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধের ঘোষণা করবো (বুখারী ৬৫০২) [সহিহ]
.
অতএব, কুচক্রান্ত সম্পর্কে জানার পর কুচক্রান্তকে ভালো না বেশে উপায় নেই। 
.
আই লাভ কু চক্রান্ত।

Comments

Popular posts from this blog

AGI, Technological Singularity, Transhumanism

তারা পথপ্রদর্শিত হয়েছিল সৎবাক্যের দিকে এবং পরিচালিত হয়েছিল প্রশংসিত আল্লাহর পথপানে.........

প্যাগান বিলিফের প্রত্যাবর্তন