ভুমিকম্প
"গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء)
হাদিস নম্বরঃ ১০৩৬
১৫/২৭. ভূমিকম্প ও কিয়ামতের নিদর্শন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
১০৩৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) কায়িম হবে না, যে পর্যন্ত না ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। হারজ খুন-খারাবী। তোমাদের ধন-সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে। (৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৯)
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
হাদিস নম্বরঃ ৭০৯৪
৯২/১৬. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী ফিতনা পূর্ব দিক থেকে শুরু হবে।
৭০৯৪. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বারকাত দাও। হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বরকত দাও। লোকেরা বলল, আমাদের নজদেও। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য বরকত দাও আমাদের ইয়ামানে। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নজদেও। (বর্ণনাকারী বলেন) আমার মনে হয়, তৃতীয়বারে তিনি বললেনঃ সেখানে তো কেবল ভূমিকম্প আর ফিতনা। আর তথা হতে শয়তানের শিং উদিত হবে।[1] [১০৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৩)
[1] ‘পূর্ব প্রান্ত হতে ফিৎনা প্রকাশ পাবে’ রাসূল (সাঃ)’র এই কথা বলার কারণ ছিল সেই সময় মদীনার পূর্বাঞ্চালের অধিবাসীরা ছিল কাফির গোষ্ঠী। রাসূল (সাঃ)’র এই কথা হুবহু বাস্তবায়িত হয়েছিল। কারণ প্রথম ফিতনা আরম্ভ হয়েছিল পূর্ব প্রান্ত হতেই। আর ঐ ফিৎনাই মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির অন্যতম কারণ ছিল। তেমনি ভাবে ঐ প্রান্ত হতেই বিদ’আত উৎপন্ন হয়েছিল। ইমাম খাত্তাবী বলেন : নাজ্দ হচ্ছে পূর্ব দিকে। মদীনাহয় অবস্থানকারী ব্যক্তির নিকট নাজদের অবস্থান হচ্ছে ইরাক ও তার আশপাশের মরু অঞ্চল। আর তা মদীনাবাসীর পূর্ব প্রান্ত। নাজদের মূল সংজ্ঞা হল, যমীন থেকে প্রত্যেক উঁচু জায়গাকে নাজ্দ বলে। অর্থাৎ ঊচ্চভূমি যা নিম্নভূমির বিপরীত। সম্পূর্ণ তিহামা অঞ্চল নিম্নভূমির অন্তর্গত। আর মক্কা এই তিহামা অঞ্চলেই অবস্থিত। সুতরাং যারা বলে নাজদ ইরাকের দিকে তারা ‘‘নাজদ’’ নামক নির্দিষ্ট জায়গা ধারণা করেছেন। যেমন, দাউদী। কিন্তু তা আদৌ ঠিক নয়। বরং আরবী ভাষায় প্রত্যেক উচ্চভূমি যা নিম্নভূমির বিপরীত তাকেই নাজদ নামে অভিহিত করা হয়। আর নিম্নভূমিকে গাওর নামে অভিহিত করা হয়। (ফাতহুল বারী) হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ)
অধ্যায়ঃ ৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن)
হাদিস নম্বরঃ ৭১২১
৯২/২৫. পরিচ্ছেদ নাই।
৭১২১. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) সংঘটিত হবে না যতক্ষণ দু’টি বড় দল পরস্পরে মহাযুদ্ধে লিপ্ত না হবে। উভয় দলের দাবি হবে অভিন্ন। আর যতক্ষণ ত্রিশের কাছাকাছি মিথ্যাচারী দাজ্জাল-এর প্রকাশ না পাবে। তারা প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহর প্রেরিত রাসূল বলে দাবি করবে এবং যতক্ষণ ইল্ম উঠিয়ে নেয়া না হবে। আর ভূমিকম্প অধিক হারে না হবে। আর যামানা (কাল) সংক্ষিপ্ত না হবে এবং (ব্যাপক হারে) ফিতনা প্রকাশ না পাবে। আর হারজ ব্যপকতা লাভ করবে। হারজ হল হত্যা। আর যতক্ষণ তোমাদের মাঝে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি না পাবে।
তখন সম্পদের এমন সয়লাব শুরু হবে যে, সম্পদের মালিক তার সাদাকা কে গ্রহণ করবে- এ নিয়ে চিন্তাযুক্ত হয়ে পড়বে। এমন কি যার নিকট সে সম্পদ আনা হবে সে বলবে আমার এ মালের কোনই প্রয়োজন নেই। আর যতক্ষণ মানুষ উঁচু উঁচু প্রাসাদ নির্মাণের জন্য পরস্পরে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ না হবে। আর যতক্ষণ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার সময় বলবে হায়! আমি যদি এ কবরবাসীর স্থলে হতাম এবং যতক্ষণ সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত না হবে। যখন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উঠবে এবং সকল লোক তা দেখবে এবং সেদিন সবাই ঈমান আনবে। কিন্তু সে দিন তার ঈমান কাজে আসবে না, যে এর আগে ঈমান আনেনি। কিংবা ইতোপূর্বে যারা ঈমান আনেনি কিংবা ঈমানের মাধ্যমে কল্যাণ অর্জন করেনি- (সূরাহ আন’আম ৬/১৫৮)।
আর অবশ্যই ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, দু’ব্যক্তি (পরস্পরে বেচাকেনার উদ্দেশে) কাপড় খুলবে। কিন্তু তারা বেচাকেনা ও গুটিয়ে রাখা শেষ করতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার উটের দুধ দোহন করে নিয়ে ফিরেছে। কিন্তু সে তা পান করতে পারবে না। ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন অবস্থায় কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি তার হাওয আস্তর করছে, কিন্তু সে পানি পান করাতে পারবে না। অবশ্যই ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) এমন (অতর্কিত) ভাবে কায়িম হবে যে, এক ব্যক্তি মুখের কাছে লোক্মা তুলবে কিন্তু সে তা আহার করতে পারবে না। [৮৫; মুসলিম ১/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৬২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬৩৬)
হাদিসের মানঃ সহিহ
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৯/ জিহাদ (كتاب الجهاد)
হাদিস নম্বরঃ ২৫৩৫
৩৭. যে ব্যক্তি সাওয়াব ও গানীমাতের আশায় যুদ্ধ করে
২৫৩৫। দামরাহ ইবনু যুগব আল-ইয়াদী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ’আব্দুল্লাহ ইবনু হাওয়ালা আল-আযদী (রাঃ) আমার মেহমান হলেন। তিনি আমাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পদাতিক বাহিনীকে গানীমাত লাভের উদ্দেশ্যে যুদ্ধে প্রেরণ করলেন। ’আমরা ফিরে এলাম, অথচ কোনো গানীমাত পেলাম না। তিনি আমাদের চেহারায় ক্লান্তির ছাপ লক্ষ্য করলেন। তিনি আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেনঃ ’’হে আল্লাহ! তাদের ক্লান্তি দূর করতে তাদেরকে আমার দিকে সোপর্দ করো না। এবং তাদেরকে তাদের দিকেও সোপর্দ করো না, তাহলে লোকেরা তাদের উপর প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাবে।’’ (ইবনু হাওয়ালা বলেন), এরপর তিনি আমার মাথা বা মাথার তালুতে হাত রেখে বললেনঃ হে ইবনু হাওয়ালা! যখন তুমি দেখবে যে, বাইতুল মাকদিসে (সিরিয়ার) ভূমিতে খিলাফাত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তখন মনে করবে অধিক ভূমিকম্প, বিপদ-আপদ, মহা দূর্ঘটনা ও পেরেশানী সন্নিকটে। কিয়ামত তখন মানুষের এতই নিকটবর্তী হবে, যেমন আমার এ হাত তোমার মাথার যত নিকটে রয়েছে।[1]
[1]. সহীহ। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
গ্রন্থঃ সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
অধ্যায়ঃ ৩০/ ফিতনা ও বিপর্যয় (كتاب الفتن والملاحم)
হাদিস নম্বরঃ ৪২৭৮
৭. শহীদ হওয়ার আশা পোষণ
৪২৭৮। আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার এ উম্মত দয়াপ্রাপ্ত, পরকালে এদের কোনো শাস্তি হবে না, আর ইহকালে তাদের শাস্তি হলো ফিত্বনাসমূহ, ভূমিকম্প ও যুদ্ধ বিগ্রহ।[1]
সহীহ।
[1]. আহমাদ, হাকিম। ইমাম হাকিম ও যাহাবী বলেনঃ সনদ সহীহ। হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
গ্রন্থঃ সূনান আত তিরমিজী [তাহকীককৃত]
অধ্যায়ঃ ৩১/ কলহ ও বিপর্যয় (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২২১১
৩৮. আকৃতি পরিবর্তন ও ভূমি ধসের আলামত অবতীর্ণ হবে
২২১১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন গানীমাতের (যুদ্ধলন্দ) মাল ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত হবে, আমানাতের মাল লুটের মালে প্রচলন হবে, পুরুষ স্ত্রীর অনুগত হয়ে যাবে কিন্তু নিজ মায়ের অবাধ্য হবে, কলরব ও হট্টগোল করবে, পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হবে, নিকৃষ্ট লোক সমাজের কর্ণধার হবে, কোন মানুষের অনিষ্ট হতে বাঁচার জন্য তাকে সম্মান দেখানো হবে, গায়িকা-নর্তকী ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার ঘটবে, মদপান করা হবে, এই উম্মাতের শেষ যামানার লোকেরা তাদের পূর্ববর্তী মনীষীদের অভিসম্পাত করবে, তখন তোমরা অগ্নিবায়ু, ভূমিধস, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি ও পাথর বর্ষণরূপ শাস্তির এবং আরো আলামতের অপেক্ষা করবে যা একের পর এক নিপতিত হতে থাকবে, যেমন পুরানো পুতির মালা ছিড়ে গেলে একের পর এক তার পুতি ঝরে পড়তে থাকে।
যঈফ, মিশকাত (৫৪৫০)
আবূ ঈসা বলেন, এ অনুচ্ছেদে আলী (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
গ্রন্থঃ সূনান তিরমিজী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ৩৬/ ফিতনা (كتاب الفتن عن رسول الله ﷺ)
হাদিস নম্বরঃ ২২১৪
চেহারা বিকৃতি বা ভূমিধ্বস শুরু হওয়ার আলামত।
২২১৪. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গনীমত সম্পদ যখন ব্যক্তিগত সম্পদ বলে গণ্য করা হবে, যাকাত হবে জরিমানা বলে, দ্বীনী উদ্দেশ্য ছাড়া ইলম অর্জন করা হবে, পুরুষরা স্ত্রীদের আনুগত্য করবে, এবং মা’দের অবাধ্য হবে, বন্ধূদের নিকট করবে আর পিতাকে করবে দূর, মসজিদে শোরগোল করবে, পাপাচারীরা গোত্রের নেতা হয়ে বসবে, নিকৃষ্ট লোকেরা সমাজ নেতা হবে, অনিষ্টের আশংকায় একজনকে সম্মান করা হবে, গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের বিস্তার ঘটবে, মদ্যপান দেখা দিবে, উম্মতের শেষ যুগের লোকেরা প্রথম যুগের লোকদেরকে অভিসম্পাত করবে তখন তোমরা অপেক্ষা করবে অগ্নিবায়ু, ভূমিকম্প, চেহারা বিকৃতি, পাথর বর্ষণের আযাবের এবং আরো আলামতের যা পরপর নিপতিত হতে থাকবে, যেমন একটি পুরান হারের সূতা ছিড়ে গেলে একটার পর একটা দানা পড়তে থাকে। যঈফ, মিশকাত ৫৪৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২২১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]
(আবু ঈসা বলেন) এ বিষয়ে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই।
হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন:
> “مَا تَزِلُّ زَلْزَلَةٌ إِلَّا بِحَدَثٍ”
(ইবনে আবি শাইবা, আল-মুসান্নাফ, ৭/৩৫৪)
বাংলা অনুবাদ:
“যখনই ভূমিকম্প ঘটে, বুঝবে মানুষের নতুন কোনো গুনাহের কারণে তা হয়েছে।”
আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ)-এর আমলে ভূমিকম্প তিনি বলেছিলেন:
> “إِنَّ رَبَّكُمْ يَسْتَعْتِبُكُمْ فَأَحْسِنُوا”
(আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ইবনে কাসীর, ৭/১৯৯)
বাংলা অনুবাদ:
“তোমাদের প্রভু তোমাদের সতর্ক করছেন, তাই তোমরা ভালো কাজের দিকে ফিরে আসো।”
রাসূল ﷺ বলেছেন:
> «إِذَا رَأَيْتُمُ الزَّلَازِلَ وَالْكُسُوفَ وَالْفِتَنَ فَأَكْثِرُوا مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ وَالدُّعَاءِ وَالِاسْتِغْفَارِ»
(মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা ২/৪৭২, হাদিস হাসান)
বাংলা অনুবাদ:
“যখন তোমরা ভূমিকম্প, সূর্যগ্রহণ ও ফিতনা দেখবে, তখন আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো, দোয়া করো এবং ইস্তিগফার করো।”
আতা ইবনে আবি রাবাহ (রহ.) বলেন:
> “إِذَا وَقَعَتِ الزَّلَازِلُ فَاعْلَمُوا أَنَّهُ وَعِيدٌ مِنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ لِعِبَادِهِ”
(মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, ৭/৩৫৪)
বাংলা অনুবাদ:
“যখন ভূমিকম্প ঘটে, জেনে রাখো, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য সতর্কবাণী।”"
Comments
Post a Comment