Posts

ইসলামী গনতন্ত্র

Image
সত্য স্পষ্ট, মিথ্যাও স্পষ্ট; এ দুয়ের মাঝে কোনো মধ্যবর্তী কিছু  নেই। তোমাকে দুনিয়ায় পাঠানো হয়েছে শুধুমাত্র আল্লাহর দ্বীন মেনে চলার জন্য। স্বেচ্ছায় তুমি তার কাছে আত্মসমর্পণ করবে। এখানে তোমার কিছু করার নেই। তুমি হচ্ছো দাস, গোলাম, মনিবের আজ্ঞাবহ কর্মচারী মাত্র। . আমরা গণতন্ত্র মানি না। আমরা ইসলামী গণতন্ত্র মানি। হয় তুমি বেশ্যা আর না হয় তুমি মুসলিম।  "ইসলামিক অথবা "ধার্মিক বেশ্যা" বলে কোনো শব্দ নেই। হয় তুমি কাফের, আর না হয় তুমি মুসলিম। আমি কাফের না। আমি ওদের মতো কাফের নই, বরং আমি "ইসলামিক কাফের"! ইসলামিক কুফফার নামে শরিয়াহয় কোনো টার্ম বা পরিভাষা নেই। হয় তুমি দ্বীন মানো, আর না হয় তুমি ধর্মনিরপেক্ষতার (সেকুলার) দিকে ধাবিত হও! ইসলাম তোমার ফাইজলামী করার রিলিজন না  এবং এটাকে তোমার ফাইজলামী/খেয়ালখুশীর মতো চালানোর জন্য অবতীর্ণ করা হয় নি। . অনেক কুকুর আছে, যারা নানা রকম যুক্তি দিয়ে তোমাকে অনেক কিছু বুঝাতে চাইবে। যেমন: এই দেশ “দারুল আমান”। এটি "দারুল কুফর" নয়। . দারুল আমান মানে দারুল ইসলাম বা ইসলামিক রাষ্ট্র বা ইসলামিক স্টেট, যার সাথে অমুসলিম গোষ্ঠী/অ...

সুডোসাইন্সের ইতিহাস (১ম পর্ব)

Image
আমি আপনাদের নিকট যা উপস্থাপন করতে যাচ্ছি তা হলো সুডোসাইন্সের ইতিহাস, দলীলাদিসহ। এর মাধ্যমে আপনাদের নিকট ইনশাআল্লাহ সত্য উপস্থাপন করতে পারবো। . . সুডোসাইন্সের ইতিহাস লেখা অবশ্যই অনেক কষ্টসাধ্য। তবে ব্যাপারটি সহজ করার জন্য আমি বিষয়টি ধাপে ধাপে তুলে ধরবো যাতে কোনো বক্রতা না থাকে। আমি পুরো ইতিহাসকে সংক্ষিপ্তভাবে ধাপে ধাপে তুলে ধরবো। ধাপগুলো হলো, . ১/ সুডোসাইন্সের প্রাচীনরূপ ও এর মুলভিত্তি এবং ক্রমবিকাশ। . ২/ সুডোসাইন্সের আধুনিকায়ন। . ৩/ বর্তমান অবস্থা। . . এ পর্বে আমি প্রথমটি তুলে ধরছি। . . . আজকে আমরা যাকে বিজ্ঞান বলে জানি অতীতে বিজ্ঞান বলতে ঠিক তা বুঝানো হতো না। অতীতে সাইন্স বলে আলাদা কোনো টার্ম ছিল না। যা ছিল সেটা হচ্ছে ন্যাচারাল ফিলোসফি। কী এই ন্যাচারাল ফিলোসফি? . . এর সুনির্দিষ্ট সুচনা হয় অ্যারিস্টটল দ্বারা, উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত। এর পর থেকে ন্যাচারাল ফিলোসফির আলাদা ভাগ হয়ে যায়। সে সময় থেকে এটি আধুনিক আকার ধারণ করে। যেমন, ফিজিক্স, বায়োলজি, কৃষি ইত্যাদি হলো NP(natural philosophy) এর প্রকারভেদ। (i) . ফ্রান্সিস বেকন বলেছে, “there ought to be one science of natural philosophy which treat...

নারী ও তার ছলনা!

Image
জীবন  বৈচিত্র্যময়। তবে সম্ভবত সেটা মহিলা নারীর মনের চেয়ে বেশী না। আর যদি তা হয় ক্রিমিনাল নারীর মন তাহলে তো তা  কতোটা মারাত্নক! সেই ব্যাপারে আর কিছু বলার অবকাশ রাখে না।  হ্যা! ক্রিমিনাল নারীর মন! ডার্ক ডেভিল ডিমোনিক শয়তানও যেটাকে সমীহ করে চলে। বিশ্ব মানোবতার মুক্তির দুত আল্লাহর রাসুল সল্লোল্লোহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন পুরুষের জন্য এই দুনিয়াতে যেটাকে  সবচেয়ে খতরনাক হিসাবে উল্লেখ্য করেছেনঃ  ৩০৮৫-[৬] উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার (ইন্তেকালের) পরে আমার উম্মাতের পুরুষদের জন্য নারী অপেক্ষা অধিক ফিতনার শঙ্কা আর কিছুতেই রেখে যাইনি। (বুখারী ও মুসলিম)[1] [1] সহীহ : বুখারী ৫০৯৬, মুসলিম ২৭৪০, তিরমিযী ২৭৮০, ইবনু মাজাহ ৩৯৯৮, সহীহাহ্ ২৭০১, সহীহ আল জামি‘ ৫৫৯৭।  হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)   বর্ণনাকারীঃ উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)   পুনঃনিরীক্ষণঃ   মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)  পর্ব-১৩: বিবাহ (كتاب النكاح) প্রশ্ন (৪০/২৮০) : দুনিয়াতে পুরুষের জন্য সবচেয়ে বড় ফেতনা কি? উত্তর: দুনিয়া...

সে ক্রমাগত তুলনা করতে থাকে....

Image
যে ব্যক্তি ক্রমাগত তুলনা করতে থাকে, সে আস্তে আস্তে গোপন অহংকারের ফাঁদে পড়ে যায় এবং সেই একই পথে হাঁটতে শুরু করে, যে পথে প্রথম অবাধ্য ধ্বংস হয়েছিল। . এই কথাটি শুধু মুখের কথাতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের জীবনে নানা রূপে প্রকাশ পায়। কখনো তা সরাসরি বলা হয় না, কিন্তু তা বোঝা যায়— . একটি ঊর্ধ্বমুখী দৃষ্টি থেকে, . একটি তাচ্ছিল্যের হাসি থেকে, . এক ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ স্বর থেকে, . এমনকি নীরবতা থেকেও যা অবজ্ঞায় ভেজা, . অথবা কোনো সাধারণ বাক্য থেকেও যা ভিতরে ভিতরে লুকিয়ে রাখে ঘৃণা ও তুচ্ছতাবোধ। . এটি বলে বসেন— . একজন ম্যানেজার যখন তার কর্মচারীদের ছোট করে, . একজন ধনী যখন গরীবকে হীনমন্যতায় ফেলে দেয়, . একজন ধার্মিক যখন কোনো গুনাহগারকে তুচ্ছ করে, . আবার কেউ তার বুদ্ধি, বংশ বা জ্ঞানের গর্বে বলে বসে। . বরং ধর্মের নামেও বলা হয়—যখন কেউ মনে করে যে সত্য শুধু তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ, আর বাকিরা সবাই ভ্রান্ত। . অনেক সময় মানুষ এটিকে উপদেশ, দাওয়াত বা বিতর্কের আড়ালে লুকিয়ে রাখে। অথচ প্রকৃতপক্ষে তা হলো সরাসরি অহংকার। . যে এটি উচ্চারণ করে এবং অন্তরে মনে করে যে সে অন্যদের চেয়ে মর্যাদা ও অবস্থানে উচ্চতর— . তার সেই কথা হৃদয়ে...

ভুমিকম্প

Image
"গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء) হাদিস নম্বরঃ ১০৩৬     ১৫/২৭. ভূমিকম্প ও কিয়ামতের নিদর্শন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।    ১০৩৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) কায়িম হবে না, যে পর্যন্ত না ইল্ম উঠিয়ে নেয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। হারজ খুন-খারাবী। তোমাদের ধন-সম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে, উপচে পড়বে। (৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৭৯)   হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)    গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ৯২/ ফিতনা (كتاب الفتن) হাদিস নম্বরঃ ৭০৯৪     ৯২/১৬. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী ফিতনা পূর্ব দিক থেকে শুরু হবে।    ৭০৯৪. ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বারকাত দাও। হে আল্লাহ্! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বরকত দা...